দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ সাকিব

0
215
ছবি: বিবিসি

ফিক্সিং না করেও শাস্তি পেতে হচ্চে সাকিবকে। কারণ তিনি আইসিসির নিয়মকে অগার্হ্য করেছে। আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টে বলা আছে, বাজিকরদের কাছ থেকে ম্যাচ বা স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে। না হয় আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থা-আকসুকে অবহিত করতে হবে। সাকিব তার কোনোটাই করেননি। এই কারণে দুই বছরের জন্য সবধরনের ক্রিকেট থেকে সাকিবকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি।
ম্যাচ পাতানো বা স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে সাকিবকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের তিনটি ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে। আকসুর ধারা ২.৪.৪ আর্টিকেলের মধ্যেই তিনটি অপরাধ করেছিলেন সাকিব।

বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ব ক্রিকেটের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিবের অপরাধের ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছে। সেখানে বলা হয়, সাকিব ২০১৮ সালের ১৯ ও ২৩ জানুয়ারি এবং ২৬ এপ্রিলে আগারওয়ালের সাথে কথপোকথন হলেও জানাননি আকসুকে। তাই তার বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব পেয়েও না জানানোর অভিযোগ আনা হয়। এরপর সাকিব আল হাসানকে সবধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আইসিসি।

জানা গেছে, আইসিসির দুর্নীতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আকসু) সাকিবকে ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর আবার একই বছরের ২৭ আগস্ট জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় দীপক আগারওয়াল নামে এক জুয়াড়ির সাথে কথা হওয়ার বিষয়ে জানান তিনি।

সাকিবের এক পরিচিত আগারওয়ালের কাছে সাকিবের নম্বর দেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এরপর আগারওয়ালের সাথে সাকিবের হোয়াটসআপ ম্যাসেজ চালাচালি হয় এবং আগারওয়াল সাকিবের সাথে দেখা করতে চায়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের সময় দুই বার আগারওয়াল ও সাকিবের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয়। এরপর ২০১৮ সালে ২৬ এপ্রিল আইপিএলে কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে সানরাইজার্স হায়দ্রাবদের হয়ে খেলার সময় আবারো ম্যাসেজ দেয় আগারওয়াল এবং নির্দিষ্ট এক খেলোয়াড় খেলবে কিনা তা জানতে চায়, কিছু ভিতরের তথ্য জানতে চায়। এই সব ঘটনা তদন্ত করেই সাকিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বিরোধী আইনের ২.৪.৪ ধারায় তিনটি অভিযোগ দাঁড় করানো হয়। মূলত এসব কারণেই এত বড় শাস্তি পেলেন! আর আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতির মাধ্যমে তার নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানানো হয়।

LEAVE A REPLY