নিষেধাজ্ঞার কারণে ১ বছর সব ধরণের ক্রিকেট থেকে বাদ পড়েছেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। যার কারণে তাকে গুনতে হতে পারে আর্থিক ক্ষতি।
নিষেধাজ্ঞার ফলে বাদ পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে তাঁর কেন্দ্রীয় চুক্তি। এই চুক্তিতে তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতেই, যেটিতে তিনি মাসে বেতন পান চার লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সাকিবকে বাদ দেওয়ার শঙ্কাই বেশি।
এছাড়াও সাকিব আল হাসান কিছু কর্পোরেট কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ আছেন । যাদের সাথে বিভিন্ন মেয়াদে কাজ করছেন সাকিব। যেহেতু তিনি ১ বছরের জন্য সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্দ তাই চুক্তি হারাতে হতে পারে এই সব কোম্পানির সাথে।
কিছুদিন আগে সাকিব বড় অঙ্কের টাকায় চুক্তি করেছিলেন মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ফোনের সঙ্গে। এটি নিয়েও কম আলোচনা-সমালোচনা হয়নি। বিসিবি বারবার দাবি করছে, সাকিব নিয়ম ভেঙে এই চুক্তি করেছেন। এমনিতেই এ চুক্তির বৈধতা নিয়ে আছে প্রশ্ন। এখন তো আবার নতুন সংকট। সাকিবের সঙ্গে মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কটা যে সুতোয় ঝুলছে, না বললেও চলছে।
গত বছর স্টিভ স্মিথ-ডেভিড ওয়ার্নার নিষিদ্ধ হওয়ার পর স্পনসররা যেভাবে সরে গিয়েছিল, সাকিবের ক্ষেত্রেও সেটিই হয়তো হবে। এটি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।
সাকিবের সঙ্গে চুক্তি আছে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান উবার, ইউনিলিভারের সঙ্গেও। চুক্তি আছে একটি পাঁচ তারকা হোটেলের সঙ্গেও। শুভেচ্ছাদূত হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল প্রতিষ্ঠান ইউনিসেফের সঙ্গে। ইউনিসেফের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন থাকবে কি থাকবে না সেটি এখনো বলা না গেলেও একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে উবার আপাতত চুক্তির ইতি টানতে যাচ্ছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোও সাকিবের সঙ্গে চুক্তি অব্যাহত রাখবে কিনা, সেটি কদিনের মধ্যেই জানা যাবে।












