১ লা নভেম্বর থেকে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ কার্যকর হয়েছে। নতুন সড়ক পরিবহন আইনকে স্বাগত জানিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। একই সাথে আইনটির কয়েকটি ধারা সংশোধনের দাবি ও জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা। পরিবহন নেতারা বলেন, আইনের ৮৪, ৯৮ ও ১০৫ ধারা অজামিনযোগ্য এবং আইনে জরিমানা ৫ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। এছাড়া আইন বাস্তবায়ন করার সময় কিছু সমস্যা উঠে আসতে পারে। এসব বিষয়ে সংশোধনী আনার প্রয়োজন আছে।
শনিবার রাজধানীতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মালিক সমিতির নেতারা এসব বলেন। তারা দ্রুত সড়ক আইনের সংশ্লিষ্ট বিধিমালাগুলো প্রণয়নের দাবি ও জানান। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গা ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, সড়ক আইনের বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়নি। বিধিমালা ছাড়া এ আইন স্বয়ংসম্পূর্ণতা পাবে না। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিধিমালা চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।
নতুন আইন বাস্তবায়নে কাউকে হয়রানি না করার দাবি জানান মসিউর রহমান রাঙ্গা। তিনি বলেন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মালিক-শ্রমিকরা যেন অকারণে হয়রানির শিকার না হয় এবং আইনের অপপ্রয়োগ না হয়, সেদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দুর্ঘটনার মামলা যেন ৩০৪(খ) ধারার পরিবর্তে ৩০২ ধারায় দায়ের না করা হয়। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় চালক কাউকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হত্যা করেছে, সেক্ষেত্রে ৩০৪(খ) ধারা ৩০২ ধারায় স্থানান্তর করলে আপত্তি নেই। তিনি বলেন, গাড়ির মালিকের সব কাগজপত্র এবং চালকের লাইসেন্স ঠিক থাকার পরও কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার জন্য মালিকদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়। এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।












