ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়ার ১০০ তম দিন গেলো গত মঙ্গলবার। এরই মধ্যে জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এ পরিণত হলো। কিন্তু এখনো স্বাবাভিক হয়নি কাশ্মীরে জীবন-যাপন।
বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর কাশ্মীরে কঠোর কারফিউ জারি করা হয়েছিল। বাতিল করা হয় ফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ। লক্ষ লক্ষ প্রিপেইড মোবাইল এখনও চালু হয় নি । তবে চালু হয়েছে ল্যান্ডলাইন ফোন আর পোস্ট পেইড মোবাইল ফোন।

এখনোও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। তবে প্রথম দিকে যেরকম কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল রাস্তায় চলাচলের ওপরে, সেসব শিথিল করা হয়েছে। এখন শুধুমাত্র ১৪৪ ধারায় চারজনের বেশী একসঙ্গে চলাফেরার ওপরে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা এই ১০০ দিন ধরেই আটক হয়ে আছেন। একই সঙ্গে বহু কাশ্মীরীও সেখানকার জেলে এবং উত্তর প্রদেশের জেলে আটক রয়েছেন।
স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কাশ্মীরের শিক্ষাখাত। গত তিন মাস দরে একাডেমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত আছে কাশ্মীরের শিক্ষার্থীরা। যদিও এখন শিক্ষা প্ৰতিষ্ঠান গুলো খোলা আছে , আগমণ নেই কোনো শিক্ষার্থীর। আতঙ্কের ফলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুল-কলেজ যেতে দিচ্ছে না।
![Unidentified people destroyed apple boxes that were supposed to be sent outside the Kashmir valley. Such incidents were reported from several districts of Jammu and Kashmir state after a call to boycott trade with Indian businessmen. Three non-local truck drivers and five workers were shot dead in southern Kashmir last month. The apple industry is the backbone of Kashmir's economy and involves about 3.5 million people. [Mukhtar Zahoor/Al Jazeera]](https://www.aljazeera.com/mritems/Images/2019/11/10/498dd46c62a14328ae9c3e6c74b4111d_8.jpg)












