দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। স্বকীয় স্বত্তায় প্রকাশ হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমির বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্র। বিশ্ব মানিচিত্রে জায়গা করে নেয় লাল সবুজের পতাকা।
আগামীকাল সকাল থেকে যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালন করা হবে মহান বিজয় দিবস।সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনৈতিকসহ বিশিষ্ট জনেরা। এরপরই স্মৃতিসৌধের মূল ফটক সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধকে সাজানো হয়েছে নতুন রূপে। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা। অতিথিদের শ্রদ্ধা জানানোর আনুষ্ঠানিকতাসহ যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছে গণপূর্ত বিভাগ।
এইদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। এই কর্মসূচির মধ্য রয়েছে- আগামীকাল সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবসের সূর্যোদয়ের সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।












