যৌন হয়রানির অভিযোগে বাকৃবির চার শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

0
31

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) চার শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন, ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী মোবাশ্বের হোসেন ও শামীম রেজা এবং কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী সাফায়েতুল ইসলাম তন্ময়। এছাড়াও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে ওই চার শিক্ষার্থী এবং ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী ও ইশা খাঁ হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাসিবুল হাসানকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদীচি সংলগ্ন নদীর পাড় থেকে জব্বারের মোড়ে আসতে এক ছাত্রীর পিছু নেয় ওই চার শিক্ষার্থী। এসময় তারা অশ্লীল কথাবার্তা বলতে থাকে। ওই ছাত্রী হাসিবুল হাসানকে বিষয়টি জানায়। এ সময় হাসিব যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করে এবং জব্বারের মোড় থেকে ওই ছাত্রীকে রিকশায় করে হলে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় হাসিবের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে কিল-ঘুসি ও পিঠে পাথর দিয়ে আঘাত করে ওই চার শিক্ষার্থী। এক পর্যায়ে হোটেলের রান্না করার লাকড়ি দিয়ে মারধর শুরু করে। পরে হাসিবকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল হকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই চার শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. কে. এম জাকির হোসেনকে সভাপতি এবং সহকারী প্রক্টর ড. মো. শফিকুল ইসলামকে সদস্যসচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দিন ও অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য বলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY