‘অকর্মণ্য নাকি প্রশ্রয়দাতা?’ দিল্লি হিংসায় পুলিশের সমালোচনায় অমর্ত্য সেন

0
139
অমর্ত্য সেন। ফাইল ছবি

‘হয় অকর্মণ্য অথবা প্রশ্রয়দাতা!’ দিল্লি হিংসার প্রেক্ষিতে পুলিশের ভূমিকার সমালোচনায় এভাবেই সরব হলেন অমর্ত্য সেন।

গতকাল শনিবার ভারতের বোলপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘ভারত ধর্মনিরেপেক্ষ রাষ্ট্র। ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে পারবে না।’

সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, তদন্ত করে দেখা হোক পুলিশ অকর্মণ্য নাকি প্রশয়দাতা হিসেবে কাজ করেছে।

তাঁর মতে, ‘কেন্দ্র শাসিত দিল্লিতে যা হয়েছে তা শুনে আমি উদ্বিগ্ন। সংখ্যালঘুরা অত্যাচারিত। পুলিশ যদি নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেটা গভীর উদ্বেগের বিষয়। এসব শুনে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আমি কোনও সাহায্য করতে পারব না, কিন্তু যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।’

তবে গোটা বিষয়ে না জেনে উপসংহার টানতে চান না তিনি। নিজের এই অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন অমর্ত্য সেন। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি এস মুরলিধরের বদলি প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেন বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগত ভাবে ওকে চিনি। তাই এই বদলি নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। তবে আমি কোনও মন্তব্য করতে পারব না।’

এদিকে, ভারত-বিরোধী অবস্থানের অভিযোগে বিশ্বভারতীর এক বাংলাদেশি পড়ুয়াকে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের পিছনে কোনও যুক্তি খুঁজে পাননি অমর্ত্য সেন। শনিবার তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রের খবর ছাড়া আমার কাছে কোনও হাতে-গরম রিপোর্ট নেই। তাও ওই পড়ুয়াকে দেশ ছাড়তে বলার পিছনে কোনও অকাট্য যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না।’

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে চলা সরকার-বিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন আফসারা আনিকা মীম। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকস্তরের পড়ুয়া এই ছাত্রী। তাঁর এহেন অবস্থানের জন্য দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।এর আগে সিএএ নিয়ে কেন্দ্রের সরকারকে দুষেছিলেন অমর্ত্য সেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তের বড় সমালোচক অমর্ত্য সেন। যার পাল্টা হিসেবে বিজেপি শিবির থেকেও উড়ে আসে আক্রমণ।

তথ্য সূত্রঃ এনডিটিভি

LEAVE A REPLY