চির নিদ্রায় শায়িত হলেন নির্লোভ, ত্যাগী ও গন মানুষের অধিকার আদায়ের এক অকুতোভয় রাজনিতিবিদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন। তেজকুনি পাড়ায় পৈত্রিক বাসভবনে সামনে সাহারা খাতুনকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সকাল ১০টায় তেজকুনিপাড়া বায়তুশ শরীফ মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা ১১টায় বনানী কবরস্থান মসজিদে সাহারা খাতুনের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠীতিয়হয়। এরপর সেখানেই মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
৭৮ বছর বয়সী সাহারা খাতুন জ্বর, অ্যালার্জির সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত ৩ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ৬ জুলাই তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ৫০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সাহারা খাতুনের মরদেহবাহী ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট। তার আগে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১১টার পর ব্যাংককের সুবর্নভূমী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয় প্লেনটি।
সাহারা খাতুন ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর বাবার নাম আবদুল আজিজ ও মায়ের নাম টুরজান নেসা। সাহারা খাতুন তিন মেয়াদ ধরে ঢাকা-১৮ আসন থেকে সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে মহাজোট ক্ষমতায় এলে প্রথমে তাঁকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়। পরে পাঠানো হয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ ছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য ছিলেন।












