দ্বিতীয় ধাপে কক্সবাজারে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের ভেতর থেকে আরো এক হাজার ৭৭২ জন ভাসানচরের পথে রয়েছে। আজ (২৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় নৌবাহিনীর জেটি থেকে প্রথম জাহাজটি রওনা হয়। এরপর ছেড়ে যায় আরো ৪টি জাহাজ।
এর আগে প্রথম দফায় সফলভাবে এক হাজার ৬৪২ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দ্বিতীয় দফায় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আজ ভাসানচরের উদ্দেশে যাত্রা করে ১৭৭২ জন।
কক্সবাজারের উখিয়া থেকে গতকাল দুপুরে প্রথম দফায় ১৩টি যাত্রীবাহী বাসে ওঠে ৫৯৫ রোহিঙ্গা। তাদের গাড়িবহরের সামনে পুলিশের কড়া পাহারা ছিল। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর আরো ১১টি বাসে ওঠে ৫৩৯ জন। পর্যায়ক্রমে ৩৩টি বাসযোগে ৪২৭টি পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুরা কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।
রোহিঙ্গা স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় এর আগে ৪ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো ভাসানচরে নেওয়া হয় এক হাজার ৬৪২ রোহিঙ্গাকে। তাদের কাছ থেকে ভালো খবর শোনার পর আরো প্রায় সাত হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাওয়ার জন্য নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য গত ২০১৭ সালের অগাস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে দেশটি থেকে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেয় সরকার, নির্মান করা সুবিধা সম্বলিত আবাসন।












