একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের জন্য বুদ্ধিজীবীরা জীবন দিয়ে গেছেন, তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এমনকি নামটাও তো মুছে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু সেটা তো মুছে ফেলতে পারেনি। কারণ আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। কখনো বৃথা যায় নাই।
গতকাল শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরে এ ধরনের আরও অনেক ষড়যন্ত্র করা হয়। এর কারণ ছিল বাংলাদেশকে আবারও পাকিস্তানের একটি প্রদেশে পরিণত করা।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর হত্যাকারীরা বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ইসলামিক প্রজাতন্ত্র রাখে। কিন্তু জনগণ এটি গ্রহণ না করায় তারা তা ধরে রাখতে পারেনি।
জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, হত্যা, খুন, সন্ত্রাস আর লুটপাট করেছে তাদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন জিয়া। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা পালিয়েছিল তাদের ধরে এনে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা লাগিয়ে দিয়েছেন। ভোট চুরি করে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদকে বিরোধী দলের নেতা বানিয়েছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব মঞ্চে মর্যাদার সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারলে, শহীদদের আত্মত্যাগ ও মহান অবদান চিরকালের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ,সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের,ওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবদুল মতিন, আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ।












