ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত কোর্সের বাইরে চালু থাকা সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য পাঁচ সপ্তাহের সময় নেয়া হয়েছে। ফলে এ কোর্সে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির সব ধরনের কার্যক্রম এ পাঁচ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও বিশ্ববিদ্যালয়র সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রাখা না রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য ভিসি অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাড়ে সাত ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সভা থেকে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল।
উপাচার্য বলেন, সান্ধ্যকোর্স পরিচালনার সময়োপযোগী নীতিমালা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৫ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী নীতিমালা চূড়ান্ত করে কোনটা থাকবে আর কোনটা থাকবে না সেটা আমরা ঠিক করবো।
একাডেমিক কমিটির সভায় দুই শতাধিক শিক্ষক অংশ নেন। সান্ধ্যকোর্সের পক্ষে ছিলেন ৬০ জন, যাদের বেশিরভাগই ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের শিক্ষক।
সান্ধ্য কোর্সের যৌক্তিকতা তুলে ধরে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিয়াউর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের প্রোগ্রাম কিন্তু পরোক্ষভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। কারণ, আমার বিভাগে যখন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান পড়েন, ন্যাশনাল কমিউনিকেশন সেক্টরের ডিরেক্টর পড়েন, সত্তরোর্ধ্ব একজন সিনিয়র ডিস্ট্রিক্ট জজ পড়েন, সত্তরোর্ধ্ব একজন রাজনীতিবিদ যখন পড়েন, তখন আমি গর্ববোধ করি।’











