করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় নিজস্ব চাহিদার কথা বিবেচনা করে ভারত সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বলে খবর এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে।সংক্রমণ যেহেতু বাড়ছে, সামনের দিনগুলোতে টিকার চাহিদাও বাড়বে। ফলে ভারতের নিজেরই ওই টিকা লাগবে।
টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণে ভারত ১ এপ্রিল থেকে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদেরও টিকার আওতায় আনছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই টিকার চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সাময়িক পদক্ষেপ। এর ফলে টিকার রপ্তানি আগামী এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। কোভ্যাক্সের আওতায় যে ১৮০টি দেশ টিকা পাওয়ার কথা, তাদের ক্ষেত্রে ভারতের এ সিদ্ধান্ত প্রভাব ফেলবে।
টিকার ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও গ্যাভির নেতৃত্বে কোভ্যাক্স নামের এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কাজ করছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদক সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইনডিয়া এ পর্যন্ত ৭৬টি দেশে মোট ৬ কোটি ৫০ লাখ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৭ লাখ ডোজ পেয়েছে কোভ্যাক্স।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে কোনো টিকার চালান বিদেশে পাঠানো হয়নি।












