ক্ষুদ্র ঋণটা স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা শুরু করেছিলেন : প্রধানমন্ত্রী

0
171
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্ষুদ্র ঋণটা স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। যদিও আমাদের দেশে কেউ কেউ ক্ষুদ্র ঋণের প্রবক্তা সেজে বিশ্বে ভালো নামটামও করে ফেলেছেন। কিন্তু দেখা গেছে, হয়তো নিজে যতটা নাম কামিয়েছেন দেশের মানুষ ততটা শুভ ফল পায়নি, এটা হলো বাস্তব।’

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘উন্নয়ন মেলা ২০১৯’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময় এইসব কথা বলেন তিনি ।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বিআরডিবির মাধ্যমে এই ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া শুরু করেন। মানুষকে কীভাবে সমবায়ের মাধ্যম একত্র করে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করে তাদের কীভাবে দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে আনবেন, সেই পরিকল্পনাটাই জাতির পিতা নিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় আমরা দেখেছি ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে (কর্মসূচি) কেউ কেউ খুব বাহবা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একসময় আমরাও এটাকে সমর্থন দিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম যে এর মাধ্যমে বুঝি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠতে পারবে।কিন্তু যখন আমরা বিষয়টা আরও গভীরভাবে দেখলাম, তাতে দেখলাম আসলে এর মাধ্যমে দারিদ্র্য ঠিক বিমোচন হয় না, দারিদ্র্য লালন-পালন হয়।’

প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী লোকজনের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সাত দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলবে।

LEAVE A REPLY