ভিপি নুরের ওপর হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।
গতকাল রোববার রাতে ঢাকা মেডিকেলে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরকে দেখতে গিয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘ঢাবিকে যারা অস্থিতিশীল করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোনোভাবেই ঢাবির পরিবেশ নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। দোষীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত করা হবে। তারা যেই মঞ্চেরই হোক, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি তাদের দেখতে। হামলা যে এত বর্বর হয়েছে বুঝতে পারিনি।’
তারা যেই মঞ্চেরই হোক, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে নানক আরও বলেন, ‘হাসপাতালে বহু জরুরি রোগী আছে। কিন্তু কেউ কেউ হাসপাতালে বসে স্লোগান দিচ্ছে। যারা স্লোগান দিচ্ছে তাদের কুমতলব রয়েছে। তাদের বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে। যারা স্লোগান দিচ্ছে এরা কারা, তারা কি চায়? এদের উদ্দেশ্য কি? এ বিষয়গুলো আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ থাকবে সব বিষয় খতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’
এর আগে ডাকসু ভিপি কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় নুরসহ আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
গতকাল রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে নিয়ে মেডিকেলে যান তারা। তারা আহত নুরুল হক নুরকে দেখতে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা বাধা দেন এবং ‘ভুয়া-ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের ৫ থেকে ১০ মিনিট বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় তাদের উদ্দেশে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। শেষ পর্যন্ত বাধা উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের এই দুই নেতা ভিপি নুরকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করেন। ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আশ্বাস দেন তারা।
উল্লেখ্য, গতকাল রবিবার দুপুর পৌনে ১ টার দিকে ‘ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা চালায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতাকর্মীরা।












