জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুনের মূল পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ শীর্ষক আলোচনা ও নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে গৌরব ‘৭১।
আব্দুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়। কিন্তু জিয়উর রহমান ছিল আসল রাজাকার। সে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে অনুপ্রেবেশ করেছিল। অনুপ্রেবেশ করে মুক্তিযুদ্ধের নামে রাজাকারদের সহযোগিতা করেছিল। শুধু তাই নয়, জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুনেরও মূল পরিকল্পনাকারী। তাই আজ সময় এসেছে। খুনি জিয়ার মরণোত্তর বিচার এ বাংলার মাটিতে করতে হবে।
জিয়াউর রহমান কৌশলে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেবেশ করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফাঁসি দিতে চেয়েছিল।কিন্তু বাংলার জনগণের কারণে তারা ফাঁসি কার্য্কর করতে পারেনি। তবে এই ফাঁসি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর এর মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে সেটার প্রমাণও করেছিলেন।
তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়াও নিজামি-মুজাহিদদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। তাই তারও বিচার করা প্রয়োজন।
সংবর্ধনা প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধারাদের মধ্যে রয়েছেন- কৃষ্ণা রহমান, কল্যাণী ঘোষ, অধ্যাপক মমতাজ বেগম, ফরিদা খানম সাকি, বুলবুল মহলানবিশ, শাহীন সামাদ, পদ্মা রহমান, ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না, ডালিয়া রওশীন, শারমিন মুরশিদ, রমা দাস, হিরন্ময়ী দাস রুনু, মৃনালীনি ওঝা ও কনক প্রভা মন্ডল।
গৌরব ‘৭১ এর সাধারণ সম্পাদক এফ এম শাহীনের পরিচানায় অনুষ্ঠানে আগত নারী মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- মুজিব নগর সরকারকে প্রথম গার্ড অব অনার প্রদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)।












