আপনি কি চশমা পরেন?তাহলে এই নিয়ম গুলো মেনে চলুন

0
256

অনেকে প্রয়োজনে চশমা পরেন।আবার অনেকে স্টাইল করতে অথবা অন্যান্য কারণে সানগ্লাস ব্যবহার করেন। যাঁদের চোখে পাওয়ার আছে, তাঁরাই একমাত্র জানেন যে চশমা ছাড়া জীবন কতটা কঠিন ও জটিল হতে পারে। অনেকে তো সারাক্ষণ ভারী চশমা পরে থাকার চেয়ে লেন্সের শরণ নেওয়াটাকেই সহজতর বলে মনে করেন। কিন্তু লেন্সও তো আর সারাক্ষণ পরে থাকতে পারবেন না। তাই চশমাটাই সাবধানে ব্যবহার করুন। চশমা ব্যবহাররে কিছু নিয়মও আছে। যা মানলে চোখ ভাল থাকে, টেকসই হয় চশমাও। মেনে চলুন কয়েকটি সহজ নিয়ম।

 

কী কী করবেন:

চশমা সব সময় একটি খাপের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন:

যখন তখন ব্যাগের মধ্যে কোথায় চশমার বাক্স রেখেছেন তা খুঁজে বের করতে অসুবিধে হলেএকটি ফ্লুরোসেন্ট মার্কার বা টেপের টুকরো লাগিয়ে রাখতে পারেন চশমার বাক্সের উপর। অন্ধকারের মধ্যেও এগুলো জ্বলজ্বল কর।সহজে চোখে পড়ে।

নিজের লুকের সঙ্গে মানানসই চশমা কিনুন:

চশমা বাছতে বসে সাবধানী হোন। চশমাও কিন্তু লুকেরই অংশ, তাই ঠিক কেমন লাগছে তা নিশ্চিত হয়ে তবেই চশমা কিনুন। রোজ ব্যবহারের চশমা যেন শক্তপোক্ত হয়। অনেকেরই শুধু রিডিং গ্লাসেই কাজ চলে যায়।তেমন হলে চিকিৎসকের সঙ্গে ভাল করে পরামর্শ করে নিন।

প্রতিদিন অন্তত একবার চশমা পরিষ্কার করুন:

এটুকু চোখের যত্নের জন্যও খুব প্রয়োজনীয়। হালকা গরম জল ও নরম কোনও সাবান দিয়ে চশমা ধুয়ে নিন। এক পর চশমা মোছার জন্য যে নরম কাপড়টি দোকান থেকে দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে লেন্সের এঅংশ মুছে নিন। কড়া সাবান দিয়ে চশমা ধোবেন না। রুক্ষ কাপড়ে চশমার কাচ মুছবেন না। এতে নষ্ট হয় লেন্স।

বাড়তি কয়েক সেট চশমা রাখুন:

ব্যাগে অবশ্যই স্পেয়ার চশমা রাখবেন। কোনও কারণে চশমা ভেঙে গেলে বা হারিয়ে গেলে কাজে আসবে তা।

কী কী নিষেধ?

স্টাইলের কারণে অনেকেই চশমা খুলে মাথার উপর রাখেন। এমনটা কয়েক বার করলেই চশমা আলগা হতে শুরু করবে, চুলে জমে থাকা তেল, শ্যাম্পু চশমার কাচের গায়ে জমে লেন্সকে ঝাপসা করে দেবে এক সময়।

চশমা খুলে যেখানে সেখানে ফেলে রাখবেন না।দুর্ঘনা এড়াতে এটা মেনে চলাই ভাল।

সানগ্লাসেও অবশ্যই পাওয়ার নিন। অনেকেই দৃষ্টিশক্তির খুব অসুবিধা না থাকলে সানগ্লাসে আলাদা করে পাওয়ার করান না। এমন হলে কিন্তু চোখেরই ক্ষতি।

চশমা পরেও কম আলোয় বা গতিশীল গাড়ির মধ্যে বই বা ই-বুক পড়বেন না।

LEAVE A REPLY