এত আয়োজন হবে ভাবেননি আকবররা

0
102

শত মানুষ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিআইপি গেটের সামনে উপস্থিত বিকেল ৩টা বাজার আগেই। সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীরা মিলে যেন মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বরণ করে নিতে।

বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে দেশে এসে পৌঁছায় বিশ্বকাপ জয়ী বাংলাদেশ দল। আকবর আলীরা ঢাকা পৌঁছেছেন শুনেই ‘বাংলাদেশ-বাংলাদেশ’ বলে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিমানবন্দর, তার আশপাশ।

ভিআইপি টার্মিনালে ফুল দেয়া হয় গোটা দলকে, কাটা হয় কেক। নিরাপত্তা কর্মীদের অনেক চেষ্টায় ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন’ লেখা বাসে চাপেন আকবর আলী, অভিষেক দাসদের সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তারা।

এরপর যেন উল্লাসে ফেটে পড়ে বিমানবন্দর থেকে মিরপুরের স্টেডিয়ামের গ্যালারি পর্যন্ত। রাস্তার দুই ধারে হাজারো মানুষের শ্লোগান, পতাকা উড়িয়ে স্বাগতম জানানো বিশ্বজয়ীদের।

মিরপুর স্টেডিয়ামের গ্যালারিতেই কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে, আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছি।

আকবর আলীরা কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে মাঠে লাল গালিচায় করে হোম অব ক্রিকেটে। সমর্থকদের গলা ফাটানো উল্লাস। আকবর আলীদের ছুঁয়ে গেছে তবে ভাবেননি এমনটা হবে!
এত আয়োজন হবে ভাবেননি আকবররা

মাঠে কেক কেটে, আতশ বাজি ফোটানোর পর সংবাদ সম্মেলন কক্ষে হাজির হোন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন, হেড কোচ নাভিদ নেওয়াজ, অধিনায়ক আকবর আলীসহ বোর্ড কর্মকর্তারা।

আকবর আলী অবাক হয়েছেন সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস, বোর্ডের আয়োজন দেখে। ভেবেছেন কিছু একটা আয়োজন করা হয়েছে তবে এত বড় আয়োজন ভাবেননি।

‘আমরা কিছুটা বুঝতে পেরেছিলাম যে কিছু একটা হবে কিন্তু, এত বড় কিছু হবে এক্সপেক্টেড ছিল না। সেটা এককথায় অবিশ্বাস্য!’

সমর্থকদের ভালোবাসা আর বোর্ডের আয়োজনে নিজেদের হারিয়ে না ফেলার কথাও বলেন আকবর। এটিও বলে রাখেন, এখান থেকেই হয়তো নতুন শুরু হবে বাংলাদেশের।

‘সবকিছুরই একটা শুরু দরকার। এটা হয়তো বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়ার জন্য একটা পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করতে পারে। আমি আশা করি, এই জিনিসটা আমাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে এবং সবার জন্যই মোটিভেশন হিসেবে কাজ করবে।’

LEAVE A REPLY