রাষ্ট্রদুতদের কূটনৈতিক শিষ্টাচার মানার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

0
52
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি

সম্প্রতি ঢাকায় সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূতেরা মত প্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার বিষয়ে আলাদা আলাদা টুইট করেছেন। তাঁদের এই পদক্ষেপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।  রাষ্ট্রদূতদের কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে দায়িত্ব পালনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।আজ শনিবার গণমাধ্যমে সাতটি পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রদূতদের টুইট নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এ প্রতিক্রিয়া জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা কোনো কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। তাঁদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে তা প্রটোকল অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাতে পারতেন। কিন্তু সেটা না করে তাঁরা রাজনীতির মহড়ায় চলে গেছেন। তাঁরা প্রকাশ্যে বিবৃতি দিচ্ছেন। তাঁরা কি এদেশে রাজনীতি করবেন? এ দেশে নির্বাচন করবেন? নাকি অন্য কোন কিছু?

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘এসব মতলব সুবিধার না। আমি আশা করব, তাঁরা তাঁদের প্রটোকল মানবেন এবং তাঁরা সেভাবেই কাজ করবেন। তাঁরা জ্ঞানীগুণী জন। তাঁদের এ ধরণের ব্যাপার প্রত্যাশিত নয়।’

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় নিযুক্ত পশ্চিমা সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূত( মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন, ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনসে টেরিঙ্ক, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোটা স্লাইটার, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিসেল ব্লিকেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি ) নিজেদের টুইটে করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সংক্রমণের সময় নির্ভরযোগ্য ও বাস্তব ভিত্তিক তথ্য প্রচার নিশ্চিত করার স্বার্থে গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, সংকটকালে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে জনগণের জন্য অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করাটা জরুরি।

 

LEAVE A REPLY