চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আজ বৃহস্পতিবার। জামিন আবেদনের শুনানিকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। আদালতের প্রতিটি প্রবেশপথে নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির এজলাসে বসানো হয়েছে আটটি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা।
আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের উপর শুনানি হবে।
এদিকে গতকাল আদালতের খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ মেডিক্যাল রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয় খালেদা জিয়া আথ্রাইটিস রোগে ভুগছেন। নতুন কোন রোগে উনি আক্রান্ত হননি। তার শারীরিক অবস্থা আগের মতই আছে।
এর আগে গত ৫ই ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট দাখিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষে সময় চান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আদালত ১১ই ডিসেম্বরের মধ্যে মেডিকেল রিপোর্ট দুটি দাখিলের নির্দেশ দেন। আর শুনানির দিন ঠিক করে দেন ১২ই ডিসেম্বর।
গত ৫ ডিসেম্বরের বিক্ষোভ ও হট্টগোলের ঘটনায় এজলাস কক্ষের ভেতরে চারদিকে বসানো হয়েছে আটটি সিসি ক্যামেরা। কেউ যাতে অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে সেজন্য এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন প্রধান বিচারপতি। গত বৃহস্পতিবার বিএনপিপন্থী আইনজীবী শ্লোগান, করতালি ও টেবিল চাপড়িয়ে খালেদা জিয়ার জামিনের দাবি জানান।
জামিন শুনানিকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্ট থাকবে নিরাপত্তার চাদরে ঘেরা। সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের তিনটি ফটকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এছাড়া আদালত ভবনে প্রবেশ পথে বসানো রয়েছে আর্চওয়ে। কার্ড দেখে পরিচয় নিশ্চিত হয়েই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারি করবেন।
এদিকে জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আজ আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হচ্ছেন নেতাকর্মীরা। আদালতের ভেতরে এবং বাইরে ব্যাপক শোডাউন করবেন তারা। শুধু রাজধানীতে নয়, সারা দেশে আজ নেতাকর্মীদের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।












